এক বৃদ্ধা মহিলার সাক্ষাৎকার। যিনি তাঁর স্বামীর সাথে সফলতার সাথে কাটিয়ে দিলেন দীর্ঘ পঞ্চাশটি বছর। তাদের জীবন শান্তিতে ভরপুর ছিল। ঝগড়া তো দুরের কথা, দাম্পত্য জীবনে কখনো কথা কাটাকাটি পর্যন্ত
ঐক্য, শান্তি, এবং ব্যক্তিগত আমল বৃদ্ধির সবচেয়ে কার্যকর উপায় হলো রমজানের সঠিক ব্যবহার। এই সময়টাতে নিজের আমলের যত্ন নেবার পাশাপাশি অন্যান্য মুসলমানদের আমলের প্রতিও যত্নবান হতে হবে। বিভিন্ন রমজানের
‘‘সাহরি খেতে না পারলে রোজা হয় না’’ এই কথাটি সম্পূর্ণ ভুল ও বিভ্রান্তিকর। সাহরি খাওয়া গুরুত্বপূর্ণ সুন্নাহ, তবে এটি আবশ্যক নয়। রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, ‘‘তোমরা সাহরি খাও; কেননা,
রামাদানের রোজা খুবই স্পেশাল নেক আমল। এটি অতুলনীয়। চলুন, রামাদানের রোজার ১১টি বিশেষ ফজিলত ও লাভ সম্পর্কে জানি। (১) রোজার সমমানের কোনো আমল নেই। আবু উমামা (রা.) থেকে বর্ণিত, তিনি
(১) রমজানে উমরা করা হজের সমান। নবি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেন, ‘‘রামাদানে উমরা করা আমার সাথে হজ করার সমান।’’ [ইমাম বুখারি, আস-সহিহ: ১৮৬৩] (২) রমজানের শ্রেষ্ঠ নিয়ামতগুলো: রাসুল সাল্লাল্লাহু
(১) সাহাবি আবদুল্লাহ ইবনু মাস‘উদ (রা.) বলেন, ‘আল্লাহর যিকর করলে শয়তানের পক্ষ থেকে ঘুম এসে যায়। তোমরা চাইলে অনুশীলন করে দেখতে পারো। তোমাদের কেউ যখন শয্যাগ্রহণ করে এবং ঘুমানোর ইচ্ছা
(১) সাহাবি আবদুল্লাহ ইবনু মাস‘উদ (রা.) বলেন, ‘আল্লাহর যিকর করলে শয়তানের পক্ষ থেকে ঘুম এসে যায়। তোমরা চাইলে অনুশীলন করে দেখতে পারো। তোমাদের কেউ যখন শয্যাগ্রহণ করে এবং ঘুমানোর ইচ্ছা
সপ্তাহের শ্রেষ্ঠ দিন জুমাবার। এই দিনে জুমা ছাড়াও অন্যান্য ইবাদতের বিনিময়ে বিপুল সওয়াব রয়েছে। জুমার নামাজ প্রসঙ্গে পবিত্র কোরআনে একটি সুরাও রয়েছে। রাসুল (সা.)-এর অসংখ্য হাদিস বর্ণিত হয়েছে। জুমার নামাজ
মুসলমানদের কাছে পবিত্র শহর মক্কা ও মদিনা। সে স্থানের শতাধিক ঐতিহাসিক স্থান সংস্কারের পরিকল্পনা করেছে সৌদি আরব। গত সোমবার মক্কায় এক অনুষ্ঠানে দেশটির হজ ও ওমরাহ মন্ত্রী তৌফিক আল রাবিয়াহ
সৌদি আরবের পূর্বাঞ্চলীয় শহর দাম্মামের পুরোনো একটি মসজিদে মুসল্লিদের স্বাগত জানানো হচ্ছে সুগন্ধী ও কাপড় দিয়ে। কেবল তাই নয়, মসজিদের বর্ধিত অংশে পাখিপ্রেমীদের জন্য রয়েছে বিশাল ঘের, যেখানে আছে বিপুলসংখ্যক