এস্তোনিয়া কাজের ভিসায় থাকছে ১-২ লাখ ইনকাম

এস্তোনিয়া কাজের ভিসায় থাকছে ১-২ লাখ ইনকাম: বিস্তারিত জানুন 

প্রবাস প্রতিদিন
আপডেটঃ : শনিবার, ২৭ ডিসেম্বর, ২০২৫

এস্তোনিয়া কাজের ভিসায় থাকছে ১-২ লাখ ইনকাম: বিস্তারিত জানুন 

এস্তোনিয়া কাজের ভিসায় থাকছে ১-২ লাখ ইনকাম.jpg

এস্তোনিয়া এখন ইউরোপের সবচেয়ে জনপ্রিয় প্লেইস হয়ে উঠেছে। কারণ এখানে ডিজিটাল ইকোনোমি, স্টার্টআপ কালচার, নিরাপদ জীবন সবকিছুই পাওয়া যাচ্ছে ইজিলি। আর এমন একটা দেশে কাজ করে নিজের ভাগ্যের পরিবর্তন করতে কে না চায়! বিশেষ করে দক্ষ প্রফেশনালদের জন্য এই দেশ হতে পারে বেস্ট অপশন। চলুন বিস্তারিত আলোচনা করি।

এস্তোনিয়া-র ওয়ার্ক পারমিট ভিসা পরিচিতি

এস্তোনিয়া-র ওয়ার্ক পারমিট ভিসা বা কাজের অনুমতি পেতে আপনাকে যেসব শর্ত পূরণ করতে হবে:

১. কোম্পানি থেকে সরাসরি পেয়েছেন এমন একটা কাজের অফার আপনার থাকতে হবে। অর্থাৎ কোনো এস্তোনিয়ান কোম্পানি আপনার নিয়োগ নিশ্চিত করেছে এমন একটা লেটার থাকতে হবে।

২. যে কোম্পানি আপনাকে অফার লেটার দিবে সে কোম্পানি অবশ্যই তাদের নিজেদের নিয়োগ আপনার জন্য এস্তোনিয়ার পুলিশ ও বর্ডার গার্ড বোর্ড এ রেজিস্ট্রেশন করবে।

৩. এরপর থাকতে হবে আপনার চুক্তিপত্র। যেখানে কাজের ধরন, বেতন, মেয়াদ সবকিছু উল্লেখ থাকবে।

৪. কাজের সাথে সংশ্লিষ্ট যোগ্যতা, অভিজ্ঞতা, বা প্রফেশনাল স্কিল থাকতে হবে, প্রয়োজন অনুসারে।

৫. আপনার পাসপোর্ট, health insurance), থাকার ব্যবস্থা এবং criminal record certificate থাকতে হবে।

এস্তোনিয়া-র ওয়ার্ক পারমিট ভিসা আবেদন প্রক্রিয়া 

Estonia-তে ওয়ার্ক ভিসার আবেদন প্রক্রিয়া তুলনামূলকভাবে সহজ। সো আপনাকে যা যা করতে হবে:

১. প্রথমে কোনো এস্তোনিয়ান কোম্পানি থেকে কাজের অফার পাওয়া লাগবে।

২. এরপর কোম্পানি রেজিস্ট্রেশন করতে হবে। মানে নিয়োগকারী কোম্পানি অবশ্যই PBGB-তে আপনার নিয়োগ তথ্য রেজিস্টার করে নিবে।

৩. এরপর আপনি করবেন ভিসা আবেদন। পাসপোর্ট, কাজের চুক্তি, ইন্সুইরেন্স, বাসার প্রমাণ ইত্যাদি জমা দিয়ে আপনাকে এই কাজটা করতে হবে।

৪. এবার আসে ভিসা অনুমোদনের পালা। সাধারণ ক্ষেত্রে ৩০ দিনের মধ্যে রেজাল্ট পাওয়া যায়।

৫. সবশেষে এস্তোনিয়া পৌঁছে PBGB বা সংশ্লিষ্ট অফিসে যেতে হবে। এবং আবাসিক নিবন্ধন বা residence registration করতে হবে।

ইতি কথা

এস্তোনিয়া কাজের ভিসা কনসেপ্টটা খুবই আনকমন হলেও প্রতি মাসে এখান থেকে ৮০০-১৫০০ পাউন্ড বেতন পাবেন। তাছাড়া দেশটিতে থাকা-খাওয়ার খরচ অনেক কম। তবে যদি আপনার short-term employment এর প্ল্যান থাকে তবে কাজ শুরু করার আগে নিয়োগকর্তা রেজিস্ট্রেশন করলেই হবে। কিন্তু residence permit-এ আবেদন করলে ৫ বছরের জন্য সিস্টেমিক ওয়েতে আপনাকে আবেদন করতে হবে।

আর যদি সুবিধার ব্যাপারে জানতে চান তবে বলবো যেহেতু এই দেশটি Schengen মেম্বার সেহেতু আপনি যদি ওয়ার্ক ভিসা পান, তাহলে ২৬টি Schengen দেশে ৯০ দিন পর্যন্ত ভ্রমণ করতে পারবেন। অনেক সেক্টর, বিশেষ করে আইটি, টেক, স্টার্টআপ, ফ্রিল্যান্সিং, ডিজিটাল-ওয়ার্ক দেদারসে অনেক সুযোগ পাবেন।

আর হ্যাঁ…মনে রাখবেন, যেহেতু কাজ + নিয়োগপত্র + রেজিস্ট্রেশন সব কিছুই ঠিক ভাবে করতে হবে সেহেতু ভুল বা ডকুমেন্ট মিস হলে ভিসা রিফিউজ বা রিজেকশন হতে পারে এটা মাথায় রাখবেন। তাছাড়া কাজ ঠিকমতো না পেলে বা কোম্পানি রেজিস্ট্রেশন না করলে দেখবেন পরে সমস্যা হবে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরির আরো নিউজ