শিরোনাম:
/ রেমিট্যান্স
দেশে রেমিট্যান্স পাঠাবেন যেভাবে: বাংলাদেশের শীর্ষ রেমিট্যান্স প্রদানকারী দেশসমূহ বাংলাদেশের অর্থনীতির এক গুরুত্বপূর্ণ পিলার হলেন রেমিট্যান্স যোদ্ধারা। আর জুলাই পরবর্তী বাংলাদেশ গড়তে আমাদের রেমিট্যান্স যোদ্ধাদের অবদান অনস্বীকার্য। বাংলাদেশ ব্যাংকের হালনাগাদ আরও খবর...
রেমিট্যান্স খাতে নেমেছে ধস: জেনে নিন সঠিক কারণ  রেমিট্যান্স যোদ্ধাদের বর্তমানে সবচেয়ে বড় ট্যাগ লাইন বা ব্যাড লাইন যাই বলেন না কেনো তা হলো রেমিট্যান্সের পরিমাণে পতন। কিন্তু কেনো হচ্ছে
বাংলাদেশে হঠাৎ করেই রেমিট্যান্স কমতে শুরু করেছে। বাংলাদেশ ব্যাংকের হালনাগাদ তথ্য থেকে জানা গেছে, গত আগস্টের শেষে প্রায় ১৬০ কোটি ডলারের রেমিট্যান্স পাঠিয়েছেন প্রবাসীরা। অথচ গত বছর একই সময়ে রেমিট্যান্স
গত এক দশকে দেশে রেমিট্যান্স তথা প্রবাসী আয়ের প্রবাহে বড় ধরনের বাঁকবদল হয়েছে। সবচেয়ে বেশি জনশক্তি যে দেশে যাচ্ছে, সেখান থেকে প্রবাসী আয় আসা কমছে। আর যেখানে জনশক্তি রপ্তানির কোনো
২০২২-২৩ অর্থবছরে রেকর্ড ১১.৩৭ লাখ কর্মী (জনশক্তি) বিদেশে রপ্তানি করেছে বাংলাদেশ; দেশের ইতিহাসে এটি একটি উল্লেখযোগ্য মাইলফলক। জনশক্তি, কর্মসংস্থান ও প্রশিক্ষণ ব্যুরোর তথ্য অনুসারে, এই সংখ্যা পূর্ব নির্ধারিত লক্ষ্যমাত্রার চেয়েও
বাংলাদেশের প্রবাসী আয়ের দ্বিতীয় বৃহত্তম উৎস এখন সৌদি আরব। দেশটিতে বর্তমানে প্রায় ২০ লাখ বাংলাদেশি কমীর্‍ রয়েছে। এসব প্রবাসীরা প্রতি বছর দেশে পাঠান প্রায় ১০ হাজার কোটি টাকার সমপরিমাণ বৈদেশিক
প্রবাসীদের সর্বোচ্চ সেবা নিশ্চিতে প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রী। সম্প্রতি বিভিন্ন কারণে দেশের বিভিন্ন নিউজগুলিতে হেডলাইন হিসেবে প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রী ইমরান আহমদকে দেখা গেলেও বর্তমানে তিনি
সুখবর! সুখবর! সুখবর! আপনি জেনে খুশি হবেন যে গত জুনে তিন বছরের মধ্যে সর্বোচ্চ রেমিট্যান্স দেশে পাঠিয়েছেন প্রবাসী বাংলাদেশিরা। যা বাংলাদেশের জন্যে সত্যিই আনন্দের খবর।   তথ্য-প্রাপ্তির বিষয়ে যদি জানতে
প্রবাসী কর্মীদের বিদেশে যাওয়া-আসার প্রক্রিয়ায় বড় একটি সমস্যা ঢাকায় আবাসন। অনেকের যাওয়ার আগে ঢাকায় এসে থাকতে হয় কিংবা দেশে ফিরে থাকার প্রয়োজন হয়। এ ক্ষেত্রে বেশি খরচে হোটেলে ওঠা ছাড়া
বাংলাদেশ স্বাধীন হওয়ার পর থেকেই দেশের একমাত্র ভরসা ছিল স্বল্প ও দীর্ঘমেয়াদী ঋণ ও ধনী দেশের সাহায্য। এর পর থেকে দেশে বৈধ পথে বৈদেশিক মুদ্রা না আসার কারনে বৈদেশিক মুদ্রার
বর্তমানে বাংলাদেশে রেমিট্যান্স ধারাবাহিকভাবে কমে গেছে। যার কারণে চাপে পড়ে গেছে বাংলাদেশের রিজার্ভ।  অন্য দিকে দেশের ব্যাংকগুলোকে সামলাতে হচ্ছে ডলার সংকট। এর কারণে ব্যংক কতৃপক্ষগুলো এলসি খুলতে পারছে না। ফলস্বরূপ