
অনেকেই ভাবে বিদেশে স্কলারশিপ মানে শুধু একটা ফর্ম, আর ব্যাগ গুছিয়ে ইউরোপ! বাস্তবে এটা এমন একটা প্রক্রিয়া যেখানে ১০০ জন apply করলে প্রায় ২–১০ জন সিলেক্ট হয় (প্রোগ্রাম অনুযায়ী)! কারণ স্কলারশিপ কোনো ফ্রি টিকেট না! এটা হচ্ছে global competition for human investment। কিন্তু একসাথে যদি অনেক সুযোগ থাকে এবং এপ্লাই করা যায় সেক্ষেত্রে সুযোগ পাওয়ার চান্সটাও অনেক ইজি হয়ে যায়। তাই আজ আমরা কথা বলবো বিদেশে ৭টি ফুল-ফান্ড স্কলারশিপ নিয়ে!
যেকোনো ফুল-ফান্ড স্কলারশিপ সাধারণত ৪টা জিনিস কভার করে! এগুলি হলো:
তবে আপনাকে মনে রাঅতে হবে সব স্কলারশিপ একরকম না। কিছু আছে ফুল ফান্ড, আবার কিছু আছে হাফ ফান্ডেড! চলুন আর দেরি না করে আজ কিছু ফুল ফান্ডেড স্কলারশিপ নিয়ে আলোচনা করি।
সুইডেনের এই স্কলারশিপকে আসলে leader বানানোর factory বলা যায়। এরা শুধু GPA দেখে না! পাশাপাশি দেখে আপনি সমাজে কী পরিবর্তন আনতে পারবেন। এখানে পড়তে হলে আপনাকে কিন্তু কোনো টাকাই দিতে হবে না। আর মাসে মাসে পাবেন ১,২০,০০০ টাকা। সাথে থাকবে ট্রাভেল গ্রান্ট + ইনস্যুরেন্স সুবিধা! মনে রাখবেন এই স্কলারশিপে প্রতি বছর প্রায় ৭০০ থেকে ১০০০ জন select হয় বিশ্বব্যাপী!
এটা এমন স্কলারশিপ যেটাতে academic + politics + leadership মিক্স করা আছে। এই স্কলারশিপ পেলে আপনাকে টিউশন ফি হিসাবে কোনো টাকাই দিতে হবে না। আর মাসে মাসে পাবেন ১.৪ থেকে ১.৬ লাখ টাকা। সাথে ফ্রি ফ্লাইট + মেডিকেল সুবিধা তো আছেই! বলে রাখা ভালো এই স্কলারশিপে প্রতি বছর প্রায় ৫০০ থেকে ৮০০ সিট থাকে।
পিএইচডি নিয়ে দুনিয়াতে যত ভালো ভালো স্কলারশিপ আছে সবগুলোর মধ্যে এটা সেরা। এই স্কলারশিপে রিসার্চ করার জন্য বছরে ৪৫ লাখ টাকা পাওয়া যায়। তবে এখানে Acceptance rate প্রায় ১-২%! মানে ১০০ জনে ১ জনও না অনেক সময়!
নিউজিল্যান্ড অনেক ছোট দেশ। কিন্তু স্কলারশিপের সুযোগ surprisingly strong। এখানে আপনি ফুল ফ্রি টিউশনিতে যেতে পারবেন। মাসে মাসে টাকাও পাবেন। তাছাড়া প্রতি বছর ২০০ থেকে ৩০০ বাংলাদেশি apply করে এখানে। আর select হয় তুলনামূলক কম! কিন্তু competition EU/USA থেকে কম।
Chinese Government Scholarship হচ্ছে বিশ্বের সবচেয়ে বড় স্কলারশিপ প্রোগ্রামগুলোর একটা। আর সুবিধা হিসাবে এখানে থাকে টিউশন ফ্রি, ডরমিটরি ফ্রি, মাসিক ১৫ থেকে ২৫ হাজার টাকা পাওয়ার সুবিধা! প্রতি বছর হাজার হাজার international student মানে ২০ হাজারেরও বেশি স্টুডেন্ট তারা নেয়!
Eiffel Scholarship হলো elite-level scholarship। এখানে মাসে ১.৪ লাখ টাকা পাওয়ার সুযোগ থাকে।
রিসার্চ দুনিয়ার সবচেয়ে শান্ত কিন্তু কঠিন জায়গা বলা হয় সুইজারল্যান্ডকে। টিউশন ফি কম দিতে হয়। আবার মাসে মাসে এখানে ২.৩ লাখ টাকাও পাওয়া যায়।
বিদেশে ফুল-ফান্ড স্কলারশিপ কোনো ভাগ্যের খেলা না। এখানে আপনাকে ৩টা জিনিস মাথায় রাখতে হবে। এগুলি হলো স্কিল, স্ট্র্যাটিজি আর স্টোরি! সহজভাবে বললে আপনি শুধু পড়ুয়া হলে হবে না! আপনাকে future investment-worthy হতে হবে।