
হার্ভার্ড ইউনিভার্সিটি! নামটা শুনলেই অনেকের মাথায় প্রথম যে চিন্তাটা আসে তা হলো, এটা কি আমাদের মতো সাধারণ স্টুডেন্টদের জন্য? ভাই সোজা কথা বলি.. হার্ভার্ড সহজ না, হার্ভার্ড সস্তা না! কিন্তু অসম্ভবও না। ঠিক প্ল্যান, যোগ্যতা আর তথ্য জানলে স্কলারশিপ নিয়ে হার্ভার্ডে পড়াশোনা করা সম্ভব, এমনকি বাংলাদেশ থেকেও। বিস্তারিত জানতে আমাদের সাথেই থাকুন।
বিশ্বের শীর্ষস্থানীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের তালিকায় হার্ভার্ডের নাম প্রায় সব সময়ই প্রথম দিকেই থাকে। ১৬৩৯ সালে যাত্রা শুরু করা এই বিশ্ববিদ্যালয় শুধু একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান নয়! বরং একেকটা ইতিহাস তৈরির কারখানা।
হার্ভার্ডে পড়েছেন এমনকিছু জনপ্রিয় ব্যাক্তিরা হলেন আমেরিকার আটজন প্রেসিডেন্ট, দেড় শতাধিক নোবেল পুরস্কার বিজয়ী, অসংখ্য বিশ্বনেতা, গবেষক ও উদ্যোক্তা! মোটকথা এখানে পড়া মানে শুধু ডিগ্রি নয়! বরং বিশ্বের সেরা নেটওয়ার্কে ঢুকে পড়া।
সবচেয়ে ভালো খবর হলো বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের জন্য হার্ভার্ড ইউনিভার্সিটির এমবিএ স্কলারশিপ উন্মুক্ত। এই স্কলারশিপটি মূলত মেধাবী ও যোগ্য ইন্টারন্যাশনাল শিক্ষার্থীদের জন্য, যারা ভবিষ্যতে নেতৃত্ব দিতে পারবে, একাডেমিকভাবে শক্ত আছে এবং ভবিষ্যতে সমাজ বা বিশ্বে প্রভাব ফেলতে সক্ষম!
এবার আসি হার্ভার্ড ইউনিভার্সিটি এমবিএ স্কলারশিপের ব্যাপারে। এই স্কলারশিপে আপনি মোট টিউশন ফির প্রায় পঁচাত্তর শতাংশ কভার পাবেন। সাথে যাতায়াত খরচ, বুস্তানি ফাউন্ডেশনের অধীনে দুই মাসের ইন্টার্নশিপ করার সুযোগও থাকবে। মানে পাবেন কয়েক কোটি টাকার ডিগ্রি! কিন্তু নিজের পকেট থেকে তুলনামূলক কম খরচে!
যারা হার্ভার্ড ইউনিভার্সিটি এমবিএ স্কলারশিপে আবেদন করতে চান তাদের অবশ্যই:
হার্ভার্ড ইউনিভার্সিটি এমবিএ স্কলারশিপ পেতে আপনার লাগবে:
হার্ভার্ড ইউনিভার্সিটি এমবিএ স্কলারশিপে যারা আবেদন করতে চান তাদের ৩১শে মে’র আগেই আবেদন করতে হবে। হার্ভার্ডের ক্ষেত্রে সময়ের দাম অনেক। তাই ডেডলাইনের একদিন আগে আবেদন করার চিন্তা ভাবনা ছেড়ে দিয়ে সময় নিয়ে আগে থেকেই আবেদন করুন!
অনেকেই মনে করেনশুধু ভালো CGPA থাকলেই হবে! অথচ এই ধারণা ভুল! আবার শুধু স্কোর ভালো হলেই হবে এটাও ভুল! তাছাড়া কপি-পেস্ট SOP দিলে চান্স প্রায় শূন্য!